• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

মঞ্জুর হত্যার রায় ১০ ফেব্রুয়ারি হচ্ছে না!

monjuনিউজ ডেস্ক: বহুল আলোচিত মেজর জেনারেল এম আবুল মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা হচ্ছে না। রায় ঘোষণার মাত্র ছয় দিন আগে মঙ্গলবার মামলার বিচারক পরিবর্তন করা হয়েছে।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ১০ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় রায়ের দিন ধার্য আছে। এ আদালতের বিচারক হোসনে আরা আকতারকে বদলি করে খন্দকার হাসান মাহমুদ ফিরোজকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফলে মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আসাদুজ্জামান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার প্রধান আসামি সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, যিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বুঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত (অস্থায়ী) প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা আক্তারের আদালত এ তারিখ ঘোষণা করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে তত্কালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার স্টাফ (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার ছিলেন এম আবুল মঞ্জুর। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়ার পথে মঞ্জুরকে পুলিশ আটক করে।

এরপর মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে ১ জুন গভীর রাতে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৫ সালের ২৭ জুন এরশাদসহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।

মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত বাকি চার আসামি হলেন- অবসরপ্রাপ্ত মেজর কাজী এমদাদুল হক ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূইয়া, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুল লতিফ ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল শামসুর রহমান শামসের। মামলার পাঁচ আসামিই উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ